The game of Election Strategists : কর্নাটকে কংগ্রেসের প্রত্যাশিত জয় ? নাকি খেলা ইলেকশন স্ট্যাটেজিস্ট এর

The game of Election Strategists কর্নাটকে কংগ্রেসের প্রত্যাশিত জয় ? নাকি খেলা ইলেকশন স্ট্যাটেজিস্ট এর : হ্যাঁ প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে, এনাকে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, গোটা ভারতবর্ষের লোকই চেনেন। আপাতদৃষ্টিতে যেমন আমরা দেখি যে দেশের জনগণই রাজনৈতিক নেতা ও রাজনৈতিক দলের ভাগ্য নির্ণায়ক কিন্তু পাশ্চাত্যের মতো এখন প্রাচ্যেও কর্পোরেট পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজিক কালচার এসে গেছে অর্থাৎ পিকে, ইলেকসন স্ট্র্যাটেজিক যাদের পরামর্শের উপর নির্ভর করছে রাজনৈতিক নেতা ও রাজনৈতিক দলের ভাগ্য।

রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা কর্মসূচি পরিকল্পনা থেকে শুরু করে কর্নাটকের কংগ্রেসের দুই বিপরীতমুখী শিবির শিবকুমার ও সিদ্ধারামাইয়াকে কাছাকাছি নিয়ে আসা এইসবই কিন্তু ছিল পরিকল্পনামাফিক। আর সেই পরিকল্পনার পিছনে ছিলেন একজন ইলেকশন স্ট্যাটেজিস্ট। 

প্রশান্ত কিশোরের প্রাক্তন সহকর্মী হিসেবে অনেকটা প্রচারের আলো থেকে নিজেকে দূরে রাখা ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট হলেন সুনীল কানুগোলুই। কর্নাটকের নির্বাচনের আগে সপ্তাহে সাত দিন কুড়ি ঘন্টা করে তিনি কাজ করেছেন। কানুগোলুইয়ের নিজের কথায় “আমার কাজের ধরন অত্যন্ত সাধারণ আমি এভাবেই কাজ করতে পছন্দ করি। আমি কোন পাবলিসিটি চাই না যাদের জানা দরকার তারা জানেন আমি কি।”

মজার বিষয় কি জানেন এই কানুগোলুই এতদিন শরীক ছিলেন বিজেপির, কংগ্রেসের নীতি নির্ধারক দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে পর্যন্ত, এই গত বছর পর্যন্ত বিজেপির হয়ে নীতি নির্ধারণ করতেন। সেখানেও তিনি পেয়েছিলেন চূড়ান্ত সাফল্য তারপরেই কর্ণাটকের নির্বাচন আর এই নির্বাচনের জন্য শিবির বদলে তিনি কংগ্রেসে হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

কানু গোলুইয়ের এই সিদ্ধান্তে যথেষ্ট দুশ্চিন্তায় ছিলেন গেরুয়া শিবির আর নির্বাচনের পর ধাক্কাও খেলেন যথেষ্টই। তবে কানু গোলুই জানতেন কর্নাটকের জয়ই তার কাছে ভবিষ্যতের জন্য আরো বড় কাজের দরজা খুলে দেবে। না মিডিয়া না ফটো, না বড় বড় কথা নিভৃতে থেকে চুপিসারে নিজের কাজ করে যাওয়াই পছন্দ করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে শোনা যায় কর্ণাটক নির্বাচনের আগে  তিনি সময়ে সময়ে সরাসরি পরামর্শ দিতেন রাহুল গান্ধীকে।

হ্যাঁ আগেকার দিনে রাজারা যারা এরকম বুদ্ধিমান লোকেদের মন্ত্রী করতেন, উপদেষ্টা করতেন। তাদের বুদ্ধিমতই রাজ্য চালাতো কিন্তু কথা হলো তখনকার দিনের ওই উপদেষ্টা বা মন্ত্রীরা কথায় কথায় বদল করত না কিন্তু এখন যেকোন কারণেই হোক সেটা মতাদর্শের অমিল হতে পারে ফিস অর্থাৎ টাকা পয়সা লেনদেনের কারণেই হোক আজকে যে এ টিমে কালকে সে বি টিমে। তাদের মতামত বা বুদ্ধির উপরে ই জনগণের মতামত প্রদানের ইচ্ছা নির্ভর করে যার প্রমাণ আমরা অতীতে তো পেয়েছি, ভবিষ্যতেও পাব । 

Leave a Comment

Enable Notifications OK No thanks