Fan with BLDC technology : ৩২ ওয়াট বি,এল,ডি,সি টেকনোলজির পাখা

Fan with BLDC technology ৩২ ওয়াট বি,এল,ডি,সি টেকনোলজির পাখা : বি,এল,ডি,সি ফ্যান অনেকেই শুনে থাকবে, হতে পারে অনেকের কাছে এটা নতুন নামই মনে হবে। সাধারণত বিএলডিসি ফ্যান বলতে আমরা বলতে পারি যে এলইডি ল্যাম্প ইউজ করি অনেকটা সেই রকম গুনাগুন অনুযায়ী কাজ করে তাই এলইডি ফ্যান ও একে বলতে পারেন। 

এলইডি বাল্ব যেমন ডিসি কারেন্ট নিয়ে জ্বলে সেরকম বিএলডিসি ফ্যানও ডিসি কারেন্টের ঘোরে। বিএলডিসি ফ্যানে পিভিসি বোর্ড আছে, পিভিসি বোর্ডের মাধ্যমেই আমাদের বাড়ির যে এসি কারেন্ট সেটা কনভার্ট করে ডিসি করে নেয় আর সেই ডিসি কারেন্টে ই ফ্যানটি ঘোরে। আমাদের বাড়ির নরমাল ফ্যান ৮০ থেকে ১০০ ওয়াটের হয়ে থাকে তার তিনভাগের একভাগ কারেন্ট খরচা হয়। বিএলডিসি ফ্যান ২৫ ওয়াট থেকে ৩২ ওয়াটের মধ্যে হয়ে থাকে আর তাই ইলেকট্রিক অনেকটা সাশ্রয় হবে ।

অনেকটাই হালকা হয় এই ফ্যান অতি সহজে ফিটিং করা যায়, কোন রেগুলেটর লাগেনা ফ্যানের রিমোটের দ্বারা স্পিড কমানো বাড়ানো যায় এছাড়া অনেক ফিচারস আছে। যেটা রিমোটের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা যায়। এলইডি ল্যাম্প আছে, টাইমার আছে, বুষ্ট করে খুব স্পিডে ঘোরানো যায়। 

লাইন ভোল্টেজ যদি কমও থাকে যেটা সাধারণ ফ্যান ঠিকঠাকভাবে স্পিডে ঘোরে না, এক্ষেত্রে বিএলডিসি ফ্যান লাইন ভোল্টেজ কম থাকলেও সে ফুল স্পীডে ঘোরে। বিএলডিসি ফ্যানে কোন বিয়ারিং ইউজ হয় না যার জন্য ফ্রিকশন কম হয় সে ক্ষেত্রে তাপ বা হিট নরমাল ফ্যানের মতো হয় না। এখানেও ইলেকট্রিক সাশ্রয়ের একটা ব্যাপার থেকে যায়।

দেখতে খুব ফেন্সি সুন্দর হয় দামটা নরমাল ফ্যানের থেকে বেশ খানিকটাই বেশি যেখানে বর্তমানে হয়তো আপনি 800 থেকে 1200 টাকার মধ্যে নর্মাল পেয়ে যাবেন সেখানে বিএলডিসি ফ্যান কিনতে গেলে আমাকে ২০০০ থেকে স্টার্ট হবে লোকাল ব্র্যান্ডের উপরে। যে কোনো ব্র্যান্ডের নিতে গেলে 3000 থেকে 3200 থেকে শুরু করে ৭০০০-৮০০০ টাকারও হয় সেটা ফ্যানের গুণমান এর উপর ডিপেন্ড করবে।

তবে এখন পর্যন্ত সিলিং ফ্যান ও ওয়াল ফ্যানেই বিএলডিসি টেকনোলজির ফ্যান আসছে বাজারে। বর্তমানে প্রায় সমস্ত ফ্যান ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিরা বিএলডিসি টেকনোলজির নতুন ফ্যান বাজারে নিয়ে চলে এসেছে। তাই ভাবছেন কি চিন্তা না করে নতুন বিয়ের ডিসি টেকনোলজির ফ্যান নিয়ে আসুন বাড়িতে এবং ইলেকট্রিসিটির সাশ্রয় করুন।

Leave a Comment

Enable Notifications OK No thanks